একসময় ফল প্রকাশের দিন মানেই ছিল শিক্ষার্থীদের উৎকণ্ঠা, অপেক্ষা আর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। ফল জানার আশায় সকাল থেকেই কলেজে ভিড় জমাতেন শিক্ষার্থীরা। নোটিশ বোর্ডে ফলাফল টাঙানোর সঙ্গে সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত ফল দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন সবাই। কারও মুখে সাফল্যের হাসি, কারও চোখে হতাশা। বন্ধুদের সঙ্গে ফল মেলানো আর আনন্দ ভাগাভাগিতে মুখর হয়ে উঠত কলেজ প্রাঙ্গণ।
সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে ফল জানার মাধ্যম, বদলেছে সেই চেনা দৃশ্যও। এখন মুঠোফোনেই মুহূর্তে জানা যায় ফলাফল। তাই কলেজে গিয়ে অপেক্ষা করা কিংবা নোটিশ বোর্ড ঘিরে শিক্ষার্থীদের সেই চিরচেনা ভিড় আর চোখে পড়ে না। এবারের ফলাফলেও যুক্ত হয়েছে হতাশার মাত্রা। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে অর্ধেকের বেশি। ফল জানার মাধ্যম বদলে যাওয়া, নাকি ফলাফলের হতাশা, কোনটি কেড়ে নিয়েছে শিক্ষার্থীদের সেই চিরচেনা উচ্ছ্বাস?
দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত মেধাবীদের ‘চারণভূমি’ খ্যাত চট্টগ্রাম কলেজ ও সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজেও দেখা যায়নি শিক্ষার্থীদের তেমন উপস্থিতি।
