Close Menu
ভয়েস অফ বাংলাদেশ

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    আইসিইউতে মেঘলা মুক্তা, কী হয়েছিল অভিনেত্রীর

    জুলাই ২৯, ২০২৬

    সংখ্যার গল্পে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্দান্ত জয়

    জুলাই ২৯, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে কী প্রভাব পড়বে

    জুলাই ২৯, ২০২৬
    Facebook X (Twitter) Instagram
    , 
    Facebook X (Twitter) YouTube RSS
    ভয়েস অফ বাংলাদেশ
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • সারাদেশ
      • ঢাকা বিভাগ
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • রাজশাহী বিভাগ
      • খুলনা বিভাগ
      • সিলেট বিভাগ
      • বরিশাল বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
    • আন্তর্জাতিক
    • অপরাধ ও দুর্ণীতি
    • খেলাধুলা
    • বিনোদন
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • অর্থনীতি
    • আরও
      • আইন আদালত
      • গণমাধ্যম
      • ফিচার
      • ক্যাম্পাস
      • চাকুরী
      • ধর্ম
      • নারী ও শিশু
      • কৃষি
      • প্রবাসের খবর
      • ভ্রমণ
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল
      • সম্পাদকীয়
      • স্বাস্থ্য
    ভয়েস অফ বাংলাদেশ
    • প্রচ্ছদ
    • আমাদের পরিবার
    • উপদেষ্টা মন্ডলী
    • জেলা প্রতিনিধি
    • বিভাগীয় সম্পাদকবৃন্দ
    • সম্পাদকবৃন্দ
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • উপজেলা প্রতিনিধি
    প্রচ্ছদ»অর্থনীতি»যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে কী প্রভাব পড়বে

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে কী প্রভাব পড়বে

    0 Views

    জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর না করার অভিযোগ এনে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সঙ্গে প্রতিযোগী ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, পাকিস্তানসহ ৬০ দেশের ওপরও ১০ ও সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক বসেছে।

    এই দেশগুলো থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নিয়মিত শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে নতুন এই শুল্ক আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র কাস্টমস। যেমন বাংলাদেশের পণ্যে গড় শুল্ক ১৫ শতাংশ। তার সঙ্গে নতুন শুল্ক যুক্ত হয়ে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ২৫ শতাংশ। অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও এভাবে শুল্কের হিসাব হবে। সাধারণত যে প্রতিষ্ঠান পণ্য আমদানি করে, তাকেই শুল্ক দিতে হয়। তবে কোনো দেশের পণ্যে বেশি শুল্ক থাকলে সেখান থেকে পণ্য কিনতে নিরুৎসাহিত হয় প্রতিষ্ঠান।

    যুক্তরাষ্ট্রের এই শুল্কে বাংলাদেশের পণ্য বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে, সে বিষয়ে একাধিক রপ্তানিকারক বলেছেন, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন আদালতে পাল্টা শুল্ক স্থগিত হওয়ার পর ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইন প্রয়োগের মাধ্যমে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। সেটি মেয়াদ শেষ হতেই সমপরিমাণ নতুন শুল্ক বসছে। ফলে শুল্কহারে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে দুশ্চিন্তা হচ্ছে, উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও অতিরিক্ত উৎপাদন বিষয়ে আরেকটি তদন্ত করছে দেশটি। তাতে আবার শুল্ক আরোপ হলে দুশ্চিন্তার কারণ হলেও হতে পারে।

    গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্ট্রারের এক নোটিশে এই শুল্ক ঘোষণা করা হয়। এই শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর)। সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পথে থাকা পণ্য ২৮ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত এই শুল্কহার থেকে অব্যাহতি পাবে।

    ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১-এর আওতায় নতুন এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। যে ৬০টি দেশের ওপর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মোট আমদানির ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ আসে। তবে তেল, গ্যাস, সার এবং কিছু খাদ্যপণ্যসহ কয়েকটি পণ্য এ শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে।

    এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, ‘প্রায় এক শতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্রে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং আমরা তা কঠোরভাবে কার্যকর করছি। আমাদের বাণিজ্য অংশীদারদের একই পদক্ষেপ নেওয়ার সময় আরও অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে।’ এই পদক্ষেপ বিশ্বের সর্বত্র শ্রমিকদের কল্যাণে সহায়তা করবে বলে দাবি করেন তিনি।

    ইউএসটিআরের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৭টি দেশের পণ্য আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, আর্জেন্টিনা, যুক্তরাজ্য, কম্বোডিয়া, কানাডা, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগো।

    অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ডের ক্ষেত্রে মোট শুল্ক ১০ অথবা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হবে। তার বাইরে ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, তুরস্ক, চীন, মিসরসহ ৩৮টি দেশের পণ্যে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

    জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপর কাছাকাছি শুল্ক আরোপ হওয়ায় প্রতিযোগিতার দিক থেকে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে শুল্কের কারণে পণ্যের দাম বাড়লে চাহিদা সংকোচন হবে। এটির অভিঘাত সব দেশের ওপরই পড়বে।

    মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ‘নতুন শুল্ক আরোপের পর আবার প্রমাণিত হলো, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যচুক্তিটি অযৌক্তিক ছিল। ৫৭ দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করলেও মাত্র ৯টি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। মালয়েশিয়া চুক্তি করার পর সেটি বাতিল করে দিয়েছে। তারা বলেছে, পাল্টা শুল্ক যেহেতু মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছেন, সেহেতু বাণিজ্যচুক্তির বৈধতা নেই। আমরা চুক্তি করলেও সেটি এখনো জাতীয় সংসদে অনুসমর্থন হয়নি। যদিও চুক্তির কিছু বিষয় মানা শুরু হয়েছে। এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’

    বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপর কাছাকাছি শুল্ক আরোপ হওয়ায় প্রতিযোগিতার দিক থেকে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে শুল্কের কারণে পণ্যের দাম বাড়লে চাহিদা সংকোচন হবে। এটির অভিঘাত সব দেশের ওপরই পড়বে।

    মোস্তাফিজুর রহমান, সম্মাননীয় ফেলো, সিপিডি

    পাল্টা শুল্ক থেকে নতুন শুল্ক

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানির ওপর বিভিন্ন হারে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। শুরুতে বাংলাদেশের জন্য এই হার ছিল ৩৭ শতাংশ। পরে শুল্ক আরোপ তিন মাসের জন্য পিছিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। গত বছরের ৭ জুলাই বাংলাদেশের ওপর আরোপিত শুল্ক ৩৭ থেকে ৩৫ শতাংশে নামানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। আরও দর-কষাকষির পর ২ আগস্ট এ হার কমে হয় ২০ শতাংশ। গত বছরের ৭ আগস্ট থেকে এই পাল্টা শুল্কহার কার্যকর হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে গড় শুল্ক ১৫ শতাংশ। পাল্টা শুল্ক এই শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে আরোপ হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি করে গত ৯ ফেব্রুয়ারি। সে চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর দেশটির পাল্টা শুল্কের হার ১৯ শতাংশ। দুই সপ্তাহ পার না হতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেন। সেই রায়ের কয়েক ঘণ্টার মাথায় সব দেশের পণ্যের ওপর ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। নতুন শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। আইন অনুযায়ী ১৫০ দিনের জন্য শুল্ক আরোপ করতে পারেন প্রেসিডেন্ট। সেই শুল্ক শেষ হওয়ার সময় থেকেই নতুন আরোপিত এই শুল্কহার কার্যকর হবে।

    ইউএসটিআর গত ১২ মার্চ পণ্য উৎপাদনে জোর করে শ্রম বন্ধে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশ যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দেশগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। তার আগের উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও অতিরিক্ত উৎপাদন করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে সংস্থাটি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মূলত তৈরি পোশাক ও সিমেন্ট খাতের অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে কি না, সেটি তদন্ত হচ্ছে। ইতিমধ্যে শুনানিও শেষ।

    জানতে চাইলে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রথম আলোকে বলেন, জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর না করার অভিযোগে এই শুল্ক আরোপ অন্যায় ও অযৌক্তিক। তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপর কাছাকাছি শুল্ক আরোপ হওয়ায় রপ্তানিতে নতুন করে প্রভাব পড়বে বলে মনে হচ্ছে না। তবে গত বছর পাল্টা শুল্ক কার্যকরের পর বাজারটিতে চাহিদা কিছুটা কমে যায়। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, অতিরিক্ত শুল্কের এই খড়্গ উঠে গেলে পণ্যের চাহিদা বাড়বে। এখন সেটি হবে না।’

    প্রতিযোগীদের চেয়ে শুল্ক কম

    যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির একক বড় বাজার। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই বাজারে ৯০৪ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা তার আগের অর্থবছরে তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি।

    এই বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ৮৫ শতাংশ তৈরি পোশাক। এখানে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশ হচ্ছে ভিয়েতনাম, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কম্বোডিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান ও হন্ডুরাস। তার মধ্যে ভিয়েতনাম ও চীনের পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক আরোপ হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দেশ দুটির তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা এগিয়ে থাকবে।

    এ ছাড়া ইউএসটিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছরের ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি পণ্য রপ্তানি করলে এই বাড়তি শুল্ক দিতে হবে না।

    জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘মার্কিন ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাল্টা শুল্ক স্থগিত হলেও তার সমপরিমাণ শুল্ক হিসাব করেই তৈরি পোশাকের দর–কষাকষি করছে। কারণ, তাদের ধারণা ছিল অন্য কোনো উপায়ে সেই পরিমাণ শুল্ক আরোপ হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগীদের তুলনায় আমাদের শুল্ক যদি বেশি হয়, তাহলে আমরা মুশকিলে পড়ব। না হলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।’

    নিউজটি শেয়ার করুন .

    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr WhatsApp Email

    আপলোডকারীর তথ্য
    admin
    • Website

    এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ

    প্রথম ছয় মাসে ব্র্যাক ব্যাংকের রেকর্ড ১,৪২৩ কোটি টাকা মুনাফা

    জুলাই ২৯, ২০২৬

    পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম হলে নগদ লভ্যাংশ নয়

    মে ২৪, ২০২৬

    আগামী বাজেটের জন্য ধ্রুবতারা হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    মে ২৪, ২০২৬

    আগামী বাজেটের জন্য ধ্রুবতারা হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    মে ২১, ২০২৬
    Leave A Reply Cancel Reply

    • সর্বশেষ সংবাদ
    • জনপ্রিয় সংবাদ

    আইসিইউতে মেঘলা মুক্তা, কী হয়েছিল অভিনেত্রীর

    সংখ্যার গল্পে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্দান্ত জয়

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে কী প্রভাব পড়বে

    প্রথম ছয় মাসে ব্র্যাক ব্যাংকের রেকর্ড ১,৪২৩ কোটি টাকা মুনাফা

    বগুড়ায় চালু হচ্ছে পাইলট ট্রেনিং একাডেমি, জানালেন বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী

    প্রকাশকঃ এনামুল হাফিজ
    সম্পাদকঃ আব্দুল কাদের

    কর্পোরেট অফিসঃ টিএমসি বিল্ডিং, ৫২, নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা-১০০০

    সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ রহমান ম্যানশন, ৪র্থ তলা, ৬৯ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪

    +৮৮০২, +৮৮ ০১৭০৭০০৯০০৫

    voiceofbd.editor@gmail.com

    www.voiceofbd24.com

    ২০২৬ © ভয়েস অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    • প্রচ্ছদ
    • আমাদের পরিবার
    • উপদেষ্টা মন্ডলী
    • জেলা প্রতিনিধি
    • বিভাগীয় সম্পাদকবৃন্দ
    • সম্পাদকবৃন্দ
    • স্টাফ রিপোর্টার
    • উপজেলা প্রতিনিধি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Powered by
    ►
    Necessary cookies enable essential site features like secure log-ins and consent preference adjustments. They do not store personal data.
    None
    ►
    Functional cookies support features like content sharing on social media, collecting feedback, and enabling third-party tools.
    None
    ►
    Analytical cookies track visitor interactions, providing insights on metrics like visitor count, bounce rate, and traffic sources.
    None
    ►
    Advertisement cookies deliver personalized ads based on your previous visits and analyze the effectiveness of ad campaigns.
    None
    ►
    Unclassified cookies are cookies that we are in the process of classifying, together with the providers of individual cookies.
    None
    Powered by